Skip to content
+60 17-283 3850 info@mydreamcampus.net First 15-minute consultation is free
mydreamcampus.net
Book a meeting WhatsApp us

+60 17-283 3850
info@mydreamcampus.net

Home / Blog / সাইপ্রাসে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের সাফল্যের হার কেন এত বেশি?

সাইপ্রাসে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের সাফল্যের হার কেন এত বেশি?

বিদেশের মাটিতে উচ্চশিক্ষা এবং একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন আমাদের অনেকেরই থাকে। তবে সেই স্বপ্নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ‘ভিসা রিজেকশন’। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপের একটি দেশ বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে আর সেটি হলো সাইপ্রাস।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা পাওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। কেন সাইপ্রাসকে বেছে নিচ্ছেন হাজারো শিক্ষার্থী? আজকের ব্লগে আমরা এর পেছনের কারণ, পড়াশোনার খরচ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

১. সহজ ভিসা প্রক্রিয়া ও উচ্চ সাফল্যের হার

ইউরোপের অন্যান্য দেশে যেখানে ভিসার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয় এবং রিজেকশন রেট অনেক বেশি, সেখানে সাইপ্রাসের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

  • সহজ শর্ত: সাইপ্রাসের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তির প্রয়োজনীয়তা তুলনামূলক শিথিল।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্টের ঝামেলা কম: অনেক দেশের তুলনায় সাইপ্রাসে আর্থিক সচ্ছলতা দেখানো অনেক সহজ।
  • ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা: সাধারণত সঠিক নথিপত্র থাকলে এবং আপনার উদ্দেশ্য সৎ হলে সাইপ্রাস অ্যাম্বাসি থেকে ভিসা পাওয়া খুব একটা কঠিন নয়।

২. পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার খরচ (টাকায় হিসাব)

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাইপ্রাস বেছে নেওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো কম খরচে ইউরোপীয় মানের শিক্ষা। নিচে একটি খরচের তালিকা দেওয়া হলো:

খরচের খাতবার্ষিক/এককালীন খরচ (ইউরো)বাংলাদেশি টাকায় (প্রায়)
টিউশন ফি (বাৎসরিক)৩,৫০০ – ৫,০০০ ইউরো (আনুমানিক)    ৪,৫৫,০০০ – ৬,৫০,০০০ টাকা (আনুমানিক)
থাকা-খাওয়া (মাসিক)৩০০ – ৪০০ ইউরো (আনুমানিক)৩৯,০০০ – ৫২,০০০ টাকা (আনুমানিক)
ভিসা ও প্রসেসিং ফি৫০০ – ৭০০ ইউরো (আনুমানিক)৬৫,০০০ – ৯১,০০০ টাকা (আনুমানিক)
বিমান টিকিট৬০০ – ৮০০ ইউরো (আনুমানিক)৭৮,০০০ – ১,০৪,০০০ টাকা (আনুমানিক)

(দ্রষ্টব্য: ১ ইউরো = ১৩০ টাকা ধরে হিসাব করা হয়েছে। মুদ্রার বিনিময় হার অনুযায়ী এটি পরিবর্তন হতে পারে।)

৩. সাইপ্রাস থেকে সেনজেন মাইগ্রেশন: বড় একটি সুযোগ

অনেকেই হয়তো জানেন না যে, সাইপ্রাস বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং তারা ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের সাথে ব্যবসায়িক ও শিক্ষাগতভাবে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে যুক্ত।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো সাইপ্রাস থেকে সেনজেন মাইগ্রেশন। সাইপ্রাসে তোমার ডিগ্রি চলাকালীন বা শেষ করার পর, তুমি যদি চাও তবে ইউরোপের অন্যান্য সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে (যেমন: জার্মানি, ফ্রান্স বা ইতালি) ক্রেডিট ট্রান্সফার বা কাজের জন্য মাইগ্রেট করতে পারবে। যেহেতু সাইপ্রাসের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউরোপের বড় বড় ইউনিভার্সিটির সাথে অ্যাফিলিয়েটেড, তাই তোমার পথ অনেক সহজ হয়ে যায়।

৪. আইইএলটিএস (IELTS) ছাড়াই ভর্তির সুযোগ

অনেক শিক্ষার্থী আইইএলটিএস-এর ভয়ে বিদেশে যাওয়ার সাহস পায় না। সাইপ্রাসের অনেক কলেজ তোমাকে Medium of Instruction (MOI) সার্টিফিকেট বা ইন্টারনাল ইংলিশ টেস্টের মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ দেয়। তবে তোমার যদি আইইএলটিএস (স্কোর ৫.৫ বা ৬.০) থাকে, তবে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%-এর কাছাকাছি চলে যায়।

৫. পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ

সাইপ্রাসে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পার্ট-টাইম কাজ করার আইনি অনুমতি রয়েছে। বিশেষ করে ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি সেক্টরে কাজের প্রচুর সুযোগ থাকে।

  • আয়: পার্ট-টাইম কাজ করে মাসে আনুমানিক প্রায় ৫০০ – ৭০০ ইউরো (৬৫,০০০ – ৯১,০০০ টাকা) আয় করা সম্ভব, যা দিয়ে তোমার থাকা-খাওয়ার খরচ অনায়াসেই চলে যাবে।

৬. কেন বাংলাদেশিদের সাফল্য বেশি?

সাইপ্রাস সরকার বর্তমানে তাদের শিক্ষা খাতকে আরও উন্নত করতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পরিশ্রমী এবং তারা সাইপ্রাসের নিয়মকানুন মেনে চলে বলে সেখানে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের সুনাম রয়েছে। সঠিক কাউন্সিলিং এবং সঠিক নথিপত্র জমা দিলে সাইপ্রাসের ভিসা পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আবেদনের জন্য তোমার যা যা প্রয়োজন:

১. এসএসসি ও এইচএসসি-র সকল সার্টিফিকেট ও মার্কশিট।

২. পাসপোর্টের কপি (ন্যূনতম ১ বছর মেয়াদ)।

৩. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।

৪. হেলথ চেকআপ রিপোর্ট।

৫. ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট দেখাতে পারলে ভালো

শেষ কথা

তুমি যদি খুব বেশি বাজেট বা আইইএলটিএস-এর জটিলতায় না গিয়ে ইউরোপে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে চাও, তবে সাইপ্রাস তোমার জন্য সেরা গন্তব্য হতে পারে। এটি কেবল একটি সুন্দর দ্বীপ রাষ্ট্রই নয়, বরং তোমার জন্য ইউরোপের মূল ফটক হিসেবে কাজ করবে।

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে আপনার বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে এই বছরেই। তোমার দেশের বাইরে লেখাপড়ার স্বপ্নপূরণে যে কোনো ধরনের সহায়তার জন্য যোগাগাযোগ করুন মাই ড্রিম ক্যাম্পাসে। আমাদের প্রথম ১৫ মিনিটের অনলাইন কনসালটেন্সি সম্পূর্ন ফ্রি।

Read next

সাইপ্রাস থেকে সেনজেন দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার: উচ্চশিক্ষার সহজ উপায় এবং খরচের পূর্ণাঙ্গ গাইড ২০২৬

সাইপ্রাস বর্তমানে দক্ষিণ এশীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইউরোপের একটি শক্তিশালী প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। অনেক শিক্ষার্থী যারা সরাসরি জার্মানি, ফ্রান্স বা সুইডেনের মতো দেশে…

Read the post

নর্থ সাইপ্রাস নাকি গ্রীক সাইপ্রাস? স্টুডেন্ট হিসেবে তোমার কোন অঞ্চলে যাওয়া উচিত?

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন যখন আমাদের হাতছানি দেয়, তখন ইউরোপের দেশগুলো সবসময়ই তালিকার শীর্ষে থাকে। আর এই তালিকার অন্যতম একটি জনপ্রিয় নাম হলো…

Read the post

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *